Breaking News

এই ৭ টি জিনিস ভুল করেও দান করতে যাবেন না, তাহলে সংসারে অমঙ্গল হবে।

একসাথে থাকতে গেলে অনেক কিছুই প্রয়োজন হয় একে অপরের থেকে। একই বাড়িতে থাকতে গেলে কিংবা একই ছাদের তলায় থাকলেও যার ব্যতিক্রম হয়না। ঘরের বিভিন্ন সামগ্রীর দরকার পরলে আমরা তা কখনও কখনও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে চেয়ে নিই।

সে রান্নার সামগ্রী হোক কিংবা ঘর গোছানোর অন্য জিনিস। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। আপনার সংসারের মঙ্গল সাধনের জন্য কিছু জিনিস কখনই অন্যকে দিতে যাবেন না। এতে ঘরের লক্ষী নষ্ট হয় এবং ঘরের বাস্তুও নষ্ট হয়।

১. ঝাড়ু: নিজের ঘরের ঝাড়ু কখনই অন্যকে ব্যবহারের জন্য দিতে যাবেন না। এতে ঘরের লক্ষী রেগে যায়। এবং এর ফলে আপনার অনেকরকম ক্ষতি হতে পারে। আপনার পরিবারে অমঙ্গলের ছায়া নেমে আসতে পারে।

২.স্টিলের বাসন: বেশিরভাগ বাড়িতেই রান্নবান্না আর খাওয়ার জন্য স্টিলের বাসন ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই স্টিলের বাসন ভুল করেও কাউকে দিতে যাবেন না। এতে আপনার পরিবারের উপর অমঙ্গল নেমে আসতে পারে। স্টিলের ঠাকুরের বাসন হলে আরই দেবেন না। সাবধানতা অবলম্বন করুন।

৩.ছেড়া পুরোনো জামাকাপড়: ছেড়া জামাকাপড় কাউকে কখনও দান করতে যাবেন না। এতেও আপনার ক্ষতি হতে পারে। এমনকি আপনাপ পরিবারের লোকজনরা অসুখে পরতে পারেন। তাই এক্ষেত্রে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করুন আর একদম করতে যাবেন না এই কাজ।

৪.তেল দান করতে যাবেন না: ভুল করেও তেল দান করতে যাবেন না কাউকে। ঘরে রান্না করা জিনিস কাউকে দান করলে তা এমনিতেই খারাপ। তাই একদমই করতে যাবেন না এই কাজ। ভুল করেও তেল দান করতে যাবেন না।

৫.রান্না করা খাবার: রান্না করা খাবার ভুল করেও দান করতে যাবেন না। পারলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে এসে খাওয়ান কিন্তু ভুল করেও দান করতে যাবেন না কাউকে। এতে আপনার সংসারের প্রচন্ড ক্ষতি হতে পারে। এমনকি প্রবল ক্ষতিও হতে পারে আপনার।

৬. বই: কোনো ধর্মীয় বই যেমন গীতা, কুরান, বাইবেল অথবা অন্য কোন দেব দেবীর বই বাদে অন্যান্য পড়াশুনার বই ভুল করেও দান করতে যাবেন না। এতে মা সরস্বতী রুষ্ট হন।

৭.ধা’রালো কোনো জিনিস: ছুঁ’ড়ি, কাঁ’চির মতো ধা’রালো কোনো জিনিস ভুল করেও কাউকে দান করতে যাবেন না। এতে নিজের সংসারের ক্ষ’তি।

About admin

Check Also

বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামের 21 বছরের এই মেয়েটি, গুগলের 60 লাখ টাকা প্যাকেজের চাকরি পেল। শুভেচ্ছা বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায়

আগেকার দিনে মেয়েদের পরিধি রান্নাঘর আর বাড়ির কাজের মধ্যেই সীমিত ছিল। পড়াশোনাতে মেয়েদের কোনো অধিকার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *