Breaking News

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিকের সম্পর্কে বিচ্ছেদ? নিকের জন্য কেন সারারাত ঘুমোতে পারেন না বললেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

করোনা বিশ্বজুড়ে এর শিকড়কে শক্তিশালী করেছে। করোনা মহামারীর কারণে বিশ্বের সমস্ত মানুষ ভীত। প্রতিদিন কয়েক হাজার মিলিয়ন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে, আবার প্রতিদিন অনেক লোক করোনার কারণে প্রাণ হারিয়ে ফেলছে। গত ৮০ দিন যাবত চালু থাকা লকডাউনটি এখন শিথিল করা হয়েছে এবং আনলকের প্রথম পর্বটি কার্যকর করা হয়েছে, তবে ভয় মানুষের মনে থেকে বেরিয়ে আসেনি, তাই লোকেরা কোনও প্রয়োজন ছাড়া এখনো সেভাবে রাস্তায় বেরোচ্ছেন না।

একইভাবে বলিউডের খ্যাতিমান ব্যক্তিরাও এই সময়ে বাড়ির অভ্যন্তরে থাকতে পছন্দ করছেন। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে গল্প, ছবি, ভিডিও সম্পর্কিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব ভাইরাল হচ্ছে। এই পর্বে বলিউডের দেশের মেয়ে হিসাবে পরিচিত প্রিয়াঙ্কা ও তার স্বামী নিক জোনাসের একটি পুরানো সাক্ষাত্কার ভাইরাল হচ্ছে। এই সাক্ষাত্কারে প্রিয়াঙ্কা নিকের সাথে সম্পর্কিত অনেকগুলি চমকপ্রদ রহস্য উদঘাটন করেছেন। শুনে আপনিও অবাক হবেন।

প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছিলেন যে তার স্বামী নিক জোনাসের কারণে তিনি রাতারাতি ঘুমাতে পারছেন না। এর পিছনে কারণও জানিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কা স্বামীর ডায়াবেটিস রোগের কারণে মন খারাপ করেছেন। প্রিয়াঙ্কা বলেছিলেন যে প্রথমে আমি কিছুই বুঝতে পারিনি। তবে নিক তার অসুস্থতার প্রতি খুব সংবেদনশীল রয়েছেন।

প্রিয়াঙ্কা বলেছিলেন যে আমি রাত্রে ঘুমাতে পারছি না কারণ আমি রাতে বেশ কয়েকবার ঘুম থেকে উঠি তা দেখতে নিক ঠিক আছে কিনা। নিক খুব ছোট ছিল, তার পর থেকে এই রোগ ছিল। ডায়াবেটিস একটি বিপজ্জনক রোগ, তাই নিক তার জীবনে খুব শৃঙ্খলাবদ্ধ। প্রিয়াঙ্কা বলেছেন যে নিক কখনই এ নিয়ে আতঙ্কিত হন না। তার ইতিবাচক মনোভাব আমাকেও অনেক সাহস দেয়।

নিকের মধ্যে যেন তাঁর বাবাকেই খুঁজে পান। স্বামী হিসেবে নিক জোনাসকে পেয়ে তিনি খুশি। শুধু তাই নয়, নিককে স্বামী হিসেবে পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান বলেও মনে করেন। এবার এমনই জানালেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।
সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাতকারে হাজির হন পিগি। সেখানে তিনি বলেন, নিক যেন তাঁর বাবা অশোক চোপড়ার প্রতিচ্ছবি। বাবা যেভাবে সব সময় তাঁকে আগলে রাখতেন, নিকও সেই কাজই করেন। অর্থাত প্রিয়াঙ্কাকে সব সময় আগলে রাখেন নিক জোনাস। বিয়ের পর থেকে প্রিয়াঙ্কাকে কখনওই নিক একা ছাড়েন না বলেও জানান মার্কিন পপ তারকার স্ত্রী। যা শুনে প্রিয়াঙ্কার প্রশংসা করতে শুরু করেছেন নেটিজেনদের একাংশ।

২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মার্কিন পপ তারকা নিক জোনাসের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। রাজস্থানের উমেদ ভবনে বসে নিক, প্রিয়াঙ্কার বিসেয়র আসর। পরিবার এবং ঘনিষ্ঠদের নিয়েই রাজস্থানের উমেদ ভবনে নিক জোনাসের সঙ্গে খ্রিস্টান এবং হিন্দু রীতিতে সাতপাকে বাঁধা পড়েন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

দুজনে দুজনকে নিয়ে খুশি, আনন্দ তাঁদের হাবে ভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু একটি বিষয়ে নিকের জন্য দুশ্চিন্তার শেষ নেই প্রিয়ঙ্কার। মাঝে মাঝেই রাতে উঠে পড়ে তিনি দেখেন, নিক ঠিক আছেন কিনা।

নিক জোনাস কিছুদিন আগে জানিয়েছেন, ছোটবেলায় কোমায় চলে গিয়েছিলেন তিনি। ১৩ বছর বয়সে জানতে পারেন টাইপ ১ ডায়াবিটিস রয়েছে তাঁর, টেনশনে কোমায় চলে যান। কতদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তা অবশ্য জানাননি তিনি।

স্বামীর অসুস্থতার খবর পাওয়ার পর থেকেই উদ্বিগ্ন প্রিয়ঙ্কা। জানিয়েছেন, বিয়ের পর পর তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না, বোঝার চেষ্টাও করেননি। কিন্তু নিক নিজের অসুস্থতা নিয়ে খুবই সচেতন, ঘুমের মধ্যেও বুঝতে পারেন কখন তাঁর সুগার লেভেল কমে যাচ্ছে। অত্যন্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন যাপন করেন তিনি, খুব ভাল করে জানেন, কখন কী করতে হবে আর কী করা উচিত নয়। কিন্তু তাঁর ডায়াবিটিসের কথা জানার পর থেকে সতর্ক হয়েছেন প্রিয়ঙ্কা। বেশ কিছুদিন ধরে রাতে বারবার উঠে তিনি দেখেন, নিক ঠিক আছেন কিনা।

প্রিয়ঙ্কা আরও জানিয়েছেন, অসুখকে কখনওই প্রয়োজনের বেশি গুরুত্ব দেন না নিক। যা যা করতে চান, তাই করেন। জীবনের প্রতি তাঁর এই সাকারাত্মক চিন্তাভাবনা প্রিয়ঙ্কাকেও প্রভাবিত করে।

প্রসঙ্গত মেট গালার আসরেই প্রথমবার নিকের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল প্রিয়াঙ্কার । এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেমের রাস্তা অবধি পৌঁছতে বেশি সময় লাগান নি নিয়াঙ্কা । তারপরই চটজলদি এনগেজমেন্ট সেরে ফেলেন এই জুটি । গত বছর জুলাই মাসে প্রিয়াঙ্কার জন্মদিনে, নিক নায়িকার সামনে বিয়ের প্রস্তাব রেখেছিলেন। এরপর অগস্টে মুম্বইয়ে প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাগদান পর্ব সারেন নিয়াঙ্কা। তারপর ধুমধাম করে ডিসেম্বরের ডেস্টিনেশন ওয়েডিং ।

About admin

Check Also

এই শিশুটি এক সময়ে হোটেলের বাসন মাজার কাজ করত, এখন সে বলিউড তারকা, এক মিনিটে তার আয় এখন 2 হাজার টাকা ।

এই শিশুটি আজ হোটেলে মানুষের খাবার প্লেট ধুয়ে প্রতি মিনিটে 2 হাজার টাকা আয় করতেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *