Breaking News

ভাই সোহেল খা’নকে বাঁ’চাতে গিয়ে মা’র খে’য়েছিলেন সালমান খা’ন, জেনে নিন কি হয়েছিল

তার’কা সন্তানদের কথা উঠলে অবশ্য বিশে’ষ শোনা যায় না তাঁর নাম। বরাবরই প্র’চার থেকে আ’ড়ালে থেকেছেন খান পরিবারের এই সদস্য। সোহে’ল খা’ন হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনে’তা, পরিচালক এবং প্রযোজক যিনি প্রধাণত হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজ করে থাকেন। তিনি অভিনে’তা সালমান খা’ন এবং আরবা’জ খা’ন এর ছোট ভাই হন। তিনি তার নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সোহে’ল খান প্রোডাকস’ন্স এর অধীনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে থাকেন। সোহেল খান চিত্রনাট্যকার সেলি’ম খা’ন ও তার প্রথম স্ত্রী সুশি’লা চ’রক এর ঘরে মুম্বাই, মহারাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন।

তার  পিতামহ আফগানিস্তা’ন থেকে ভারতে আসেন এবং ইন্দোর এর মধ্য প্রদেশে বসবাস শুরু করেন। তার বি’মাতা বলিউড অভিনেত্রী হেলেন যিনি তার নাচ এবং আ’ইটেম গা’নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। তার বড় ভাই আরবা’জ খা’ন মা’লাইকা আরোরা খা’ন’কে বিয়ে করেন। তার বোন আলভিরা খা’ন বলিউড অভিনেতা অতুল অ’গ্নিহোত্রীকে বিয়ে করেন।

সো’হেল খা’ন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান খানের ভাই এবং লিপিলেখক সেলিম খা’ন এর সন্তান। তিনি ‘সীমা সচদে’বকে বিয়ে করেন এবং এই দম্প’তির নির্বা’ন খা’ন ও ইয়োহ’ন নামের ২টি সন্তান রয়েছে। তিনি ১৯৯৭ সালে এ্যা’ক’শনধ’র্মী চলচ্চিত্র “অ’জার”-এ একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে আ’ত্মপ্রকাশেম’র মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন।

উ’ক্ত চলচ্চিত্রে তার ভাই সালমান খা’ন এবং সঞ্জয় কাপু’র অভিনয় করেছিলেন।এরপর তিনি ১৯৯৮ সালের ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র “প্যায়ার কিয়া তো ডা’রনা ক্যা” তে সালমান খা’ন এবং আরবাজ খা’ন উভয় ভাইকে সাথে নিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন এবং এর কম ধারবাহিকতার সাফল্য নিয়ে জি.এস. ইন্টারটেইন্টমেন্ট এর ব্যানারে “হ্যালো ব্রাদার” (১৯৯৯) নির্মাণ করেন।

২০০২ সালে তিনি লেখা, প্রযোজনা, নির্দেশনা দেওয়া এবং বক্স অফিসে গ’ড় আয়ের “মে দিল তুঝকো দিয়া” চলচ্চিত্রে সর্বপ্রথম অভিনে’তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর তিনি কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিন’য় করেন, কিন্তু কোনটাই বাণিজ্যিকভাবে সফলতা পায়নি।

তিনি ২০০৫ সালের ব্যাবসাফল চলচ্চিত্র “ম্যায়নে প্যায়ার কিউ কিয়া?” তে অভিনয়ের মাধ্যমে পুনরায় অভিনয়ে ফিরে আসেন; উক্ত চলচ্চিত্র প্রধান চ’রিত্রে অভিন’য় করেন তার ভাই সালমান খান এবং ক্যাটরিনা কাইফ।খান সীমা সচচে’দবে বিয়ে করেন এবং তাদের ২টি পুত্র সন্তান রয়েছে: প্রথমজনের নাম নির্বান খান এবং অন্যজন ইয়োহান। মাঝে মধ্যে তাকে আসলাম ইয়াকু’ব খান নামে ডা’কা হয় (জন্ম জুন ২০১১)।

এদিকে আ’ব্দুর র’শিদ সে’লিম সালমান খান ( ২৭ ডিসেম্বর ১৯৬৫) হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চি’ত্র অভিনে’তা, প্রযোজক এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। তিনি মাঝে মাঝে গানও গেয়ে থাকেন। ত্রিশ বছরের অধিক সময়ের কর্মজীবনে তিনি অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছে চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও অভিন’য়ের জন্য দুটি ফিল্মফে’য়ার পুরস্কার।

সবচেয়ে বড় তারকা সালমান খানকে বিশ্ব ও ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম ব্যবসাসফল অভিনয়শিল্পী বলে আখ্যায়িত করা হয়। ফোর্বস সাম’য়িকীর ২০১৮ সালের বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহীতা ১০০ তারকা বিনোদনদাতা তালিকা অনুসারে সালমান খান ৩৭.৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে ভারতীয়দের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় এবং সারা বিশ্বে ৮২তম স্থান অধিকার করেন।

সালমান খান ১৯৬৫ সালের ২৭শে ডিসেম্বর ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চিত্রনাট্যকার সেলিম খান এবং তার প্রথম স্ত্রী সুশীলা চর’কের (পরে সালমা খান নাম গ্রহণ করেন) জ্যেষ্ঠ পুত্র। সালমানের বাবা সেলিম খান অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে পরিচিত হলেও একটা সময়ে তিনি পু’লিশ কর্মকর্তা ছিলেন। সেলিম ১৯৬৪ সালে সুশীলাকে বিয়ে করেন। পরের বছর সালমানের জন্ম হয়। জন্মের সময় তার নাম রাখা হয় আব্দুর রশিদ সেলিম সালমান খা’ন।

পিতার দিক থেকে তার পূর্বপু’রু’ষগ’ণ ছিলেন বর্তমান পাকিস্তা’নের সো’য়াত উপত্য’কার আলাকো’জাই পশতুন,যারা ১৮০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে অভিবা’সিত হয়ে এসেছিলেন। তার পিতামহ আবদুল র’শিদ খা’ন ছিলেন ইন্দোর রাজ্যের ডেপুটি ইন’স্পে’ক্টর জেনা’রেল, যিনি হো’লকার সময়ে দিলার জাং পুরস্কার অ’র্জন করেছিলেন। সালমানের মাতা মহারাষ্ট্রীয়, তার পিতা ব’লদেব সিং চ’রক জম্মু-কা’শ্মী’রের একজন দু’গ্রা রাজপুত ছিলেন এবং মাতা মহারাষ্ট্রীয় ছিলেন।

সেলিম-সুশীলা দম্পতির চার সন্তানের বাকিরা হলেন দুই পুত্র অভিনেতা ও প্রযোজক আরবাজ খান ও সোহেল খান এবং এক কন্যা প্রযোজক ও পোশাক নক’শাবিদ আলভিরা খান অ’গ্নিহোত্রী, যিনি অভিনেতা ও পরিচালক অতুল অ’গ্নিহোত্রীকে বিয়ে করেন। ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় বিয়ে করেন সেলিম খান। তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলিউডের অভিনেত্রী হে’লেন। বিয়ের পর কন্যা অর্পিতা খা’নকে দত্তক নেন সেলিম-হেলেন দম্প’তি।

কয়েক বছর আগে সালমান ও সোহেল কপিল শর্মার শো’তে গিয়েছিলেন। এখানে উভ’য়ই তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সাথে সম্পর্কিত বিষয়গু’লি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। এসময় সোহেল খুব মজার একটি গল্প বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে আমি যখন ব্যান্ডস্ট্যান্ড থেকে ফিরছিলাম তখন কিছু ভ’ক্ত আমাকে ঘরের নি’চে গা’লি দিতে শুরু করলেন। কিছু অনুরাগী মনোযোগ পেতে এটি করেন। তারপরে আমি ভেবেছিলাম এমন ক’রা যাক, কেবল একজন দাঁ’ড়িয়ে আছেন।

সোহেল লোকটিকে জি’জ্ঞেস করলো ‘কেন সে আমাকে গা’লাগা’লি করছে?’ জি’জ্ঞাসা করতেই সেখানে ৫-জন লোক এসেছিল। তারপরে তার গ্রু’প সোহেলকে মা’রধ’র করে। এদিকে সালমান সোহেলকে বাঁ’চাতে পৌঁছে গেলেন। সালমান বলেছিলেন যে – আমরা সেই লোকগু’লিকেও প্রচু’র আঘা’ত করেছি, কিন্তু একজন আমার পি’ঠে উ’ঠে মা’রধ’র করেছিল। এমতাবস্থা আর ফিল্মের শু’টিং করা সম্ভব হয়ে ও’ঠেনি।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *