Breaking News

বাবা সামান্য বেতনের ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছেলে পেলো ৭০ লক্ষ টাকা বেতনের চাকরি

মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে মেধাতালিকায় বহুবার নাম উঠে এসেছে ছাত্র-ছাত্রীদের। অভাবের অনটনের মধ্যে যারা মানুষ হয় তারাই বুঝতে পারে জীবনের আসল মানে। তাদের কাছে বড় হবার স্বপ্নটাই হয় বেঁচে থাকার মূল কারণ। ছোটবেলা থেকে যে কষ্ট তারা পেয়ে এসেছে, ভবিষ্যৎ জীবনে তা কাটিয়ে ওঠার জন্য যথাযথ পরিশ্রম করে তারা।
আর ঠিক সেই কারণেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বা আর্থিক প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে বারবার সাফল্যের শিখরে পৌঁছতে পারেন এইসব তরুণ-তরুণীরা।

মেধা অপেক্ষা করে না কোন অনুমতির। মেধার জোরে ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রাস্তার আলোতে পড়াশোনা করে জ্ঞানী হয়েছিলেন, মাইলস্টোন দেখে সংখ্যা শিখেছিলেন। মেধার জোরেই সুনিতা উইলিয়ামস পাড়ি দিয়েছিলেন মহাকাশে। ইচ্ছাশক্তির জোরে একটি পার না থাকাটাকে অজুহাত হিসেবে না নিয়ে হিমালয় জয় করেছেন এক মহিলা।

এমনই একটি মেধাবী ছাত্রের নাম মোহাম্মদ আমির আলী। তার বাবা পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া ছাত্রের বার্ষিক প্যাকেজ ১ লক্ষ মার্কিন ডলার। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী আমির টাকার অভাবে ঝারখান্ড এনআইটিতে সুযোগ পেয়েও করতে পারেনি আর্কিটেকচার কোর্স।

২০১৫ সালে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা ভর্তি হওয়ার পর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সেখানেই একটি বিশেষ গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন তিনি। ইলেকট্রনিক ভেহিকেল চার্জ দেওয়ার নতুন পন্থা আবিষ্কার করেছিলেন তিনি।তার মতে এই ইলেকট্রনিক কার চার্জ করাটা ভারতের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তার আবিষ্কার করা থিওরি সফল হলে চার্জিং খরচ শূন্যে নেমে আসবে। তার প্রজেক্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে।

এরপরই এই প্রজেক্ট প্রথম নজর কারে নর্থ ক্যারোলিনার স্যাটেলাইট ফটো মোবাইল সংস্থা ফিউশন মোটর রেকসএর। সেখান থেকেই আলীর জন্য আসে লোভনীয় চাকরির অফার। ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার পদের জন্য আসে এই অফার।মার্কিন মুলুকে ভারতীয় মুদ্রায় ৭০ লক্ষ টাকার চাকরি পান আমির।

বাবা যেহেতু ইলেকট্রিশিয়ান, ছেলেও সেই পথ ধরেই সারা বিশ্বের কাছে এক অনবদ্য অবদান রাখলেন। ছোটবেলা থেকেই ইলেকট্রিকের প্রতি আগ্রহ থাকে বিশ্বদরবারে স্থান করে দিল। ছেলের সাফল্যে স্বভাবতই বাঁধভাঙ্গা খুশির বাবার চোখে মুখে।এই সাফল্যের হাত ধরি ছেলে যেন আরও উন্নতির শিখরে পৌঁছে যায়, এমনটাই কামনা তার বাবার।

About admin

Check Also

ক’রোনা যো’দ্ধা বিডিওকে ভাড়া বাড়িতে ঢুকতে বাঁধা, তৎক্ষণাৎ পু’লিশ বাড়ির মালিকসহ ৬ জনকে গ্রে’প্তার করে পু’লিশের ভূমিকায় পঞ্চমুখ নেটপাড়া

ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে ভরদুপুরে মহিলা বিডিওকে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হলো, ঢুকতে পেলেন না আরামবাগের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *