Breaking News

বোনকে হিং’স কুকুরের থেকে উ’দ্ধার করতে গিয়ে আ’ক্রান্ত হয়ে ছোট্ট ছেলেটির মুখে পড়ল ৯০ টা সে’লাই, নেট দুনিয়ায় ভাইরাল সেই ছবি

ভাই বোনের ভালোবাসা আর পাঁচটা সম্পর্কের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এরা একে অপরের জীবন বাঁ’চাতে নিজের জীবন বাজি রাখতেও পারে। এই পৃথিবীতে সকল ভাইবোনের মধ্যে এমন ভালোবাসার বন্ধন সর্বদা অটুট। তবে প্রমাণ করার হয়ত সুযোগ হয়ে ওঠে না। চার বছরের ছোট বোনকে কুকুর থেকে বাঁ’চাতে গিয়ে নির্ম’মভাবে আহ’ত হয়েছে ৬ বছর বয়সী ছোট্ট ভাই।নিজের জীবন বিপ’ন্ন করে হলেও বাঁ’চিয়েছে নিজের বোনের প্রাণ।

ব্রিজারের মুখে ৯০ টি সেলাই। গত ৯ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উয়োমিং রাজ্যের ঘটনা। চার বছর বয়সী মেয়েটিকে হ’ঠাৎ আ’ক্রমণ করে একটি এক বছরের একটি জার্মান শেফার্ড কুকুর। সেই আ’ক্রমণ থেকে তাকে বাঁ’চাতে ছুটে আসে তার ৬ বছর বয়সী ভাই ব্রিজার ওয়াকার। তবে কুকুরের আ’ক্রমণ থেকে বোনকে বাঁ’চাতে পারলেও নিজে ওই কুকুরের আ’ক্রমণের মুখে পড়ে। মা’রাত্ম’কভাবে আহ’ত হয় সে।কুকুরটি তার গাল কা’ম’ড়ে ধরে। কুকুরের ধা’রাল দাঁ’তে ক্ষ’তবিক্ষ’ত হয়ে যায় শিশুটির গা’ল। কোনমতে কুকুরটি থেকে নিজেদের বাঁ’চাতে পারে এই ভাই-বোন। গু’রুতর আহ’ত ব্রিজারের ২ ঘণ্টা অ’স্ত্রোপ’চার করেন চিকিৎসকরা।

ওই কুকুরের জন্য নিজেও যে আহ’ত হয়েছে সে সম্পর্কে তার কোন হু’শ নেই। নিজের বাবাকে সে বলেছে, “এই কুকুরের হা’মলায় যদি কারও মৃ’ত্যু হ’ত তাহলে সেটা আমি হ’তাম। বোন নয়।” এই কথা শুনে ব্রিজারের বাবা চুপ হয়ে যান। পরে ব্রিজারের মুখে ৯০টি সেলাই দেয়া হয়েছে। তার এই বীর’ত্বের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া এবং সংবাদমাধ্যমে এ রকম সাহ’সিকতার জন্য হিরো হয়ে উঠেছেন এই শিশু। তার এই অসামান্য সাহ’সিকতার জন্য এই শিশুটিকে সাম্মানিক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান উপাধি দিয়েছে ওয়ার্ল্ড বক্সিং ফেডারেশন।

সম্পর্কের সমীকরণ বয়স বেশি হোক বা কম, বদলায় না কোনদিন। তা প্রমাণ করে দেখালো ৬ বছর বয়সী এই ছেলে। তারে সাহ’সিকতার ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়া সংবাদমাধ্যমে প্রচার করেন ব্রিজারের পরিবার। সঙ্গে সঙ্গে তার সাহসিকতার চিত্র ফুটে উঠে সকলের সামনে।

মাত্র ৬ বছর বয়সে এই শিশুর সাহ’সিকতাকে সম্মান জানিয়েছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যানা হ্যাথওয়ে। তিনি এই ছোট্ট শিশুটির সুস্থতা কামনা করেছেন ।অ্যাভেঞ্জার্সের ক্যাপ্টেন আমেরিকা ক্রিস ইভান্সও প্রশংসা করেছেন। শিশুর এই সাহ’সিকতার প্রশংসায় হ্যাথওয়ে ইন্সটাগ্রামে লিখেছেন,”আমি রোমা’ঞ্চ প্রিয় নই। কিন্তু যখন আমি ব্রিজারকে দেখলাম তখন থেকে মনে হলো আমি একজন সুপারহিরোকে জানি।” ৯০টি সেলাই পড়েছে তার মুখে। তবুও অন্তরের আ’ত্মা বোনকে বাঁচিয়ে সে খুশি।

About admin

Check Also

এশিয়ার প্রথম ‘বিনা হাতের মহিলা ড্রাইভার’, মনোবল দেখে অভিভূত সোশ্যাল মিডিয়া

এটি এশিয়ার প্রথম ‘বিনা হাতের ড্রাইভার’, আনন্দ মাহিন্দ্রাও দেখার পরেও অভিভূত হয়েছিলেন প্রতিবন্ধকতার অভিশাপ কেবল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *