Breaking News

শারীরিক প্রতিকূলতাকে জয়, শিক্ষকতাকে পেশার মাধ্যমে যেভাবে হাজারো হাজারো গরিব শিশুকে শিক্ষাদান করে যাচ্ছেন তিনি

জীবনে এমন অনেক কিছুই ঘটে যার জন্য আমরা প্রস্তুত থাকিনা,তবুও মেনে নিতে হয়।আবার অনেক সময় জন্মগত কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকে যা নিয়মিত স্বাভাবিক জীবনজাপনের ক্ষেত্রে অনেক বাধ সৃষ্টি করে। তবুও তাকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যেতে হয়।মিস্টার সঞ্জয় সেন যিনি একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। জীবনের প্রতিবন্ধকতা তার জীবনে কখনোই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বাধা হয়ে দাঁড়ালেও লক্ষ্যে পৌঁছানো থেকে রুখতে পারেনি। বর্তমানে তিনি উচ্চ শিক্ষিত হয়ে শিক্ষকতার সাথে যুক্ত রয়েছেন।

বর্তমানে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্টে সঞ্জয় সেন ২০০৯ সাল থেকে শিক্ষাব্বত প্রকল্পের আওতায় রাজস্থানের একটি সরকারী স্কুলে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধাগুলি না থাকা সত্ত্বেও সঞ্জয় সেন শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। এই ঘটনা ইন্টারনেটে হাজার হাজার মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে। সঞ্জয়বাবু নিজের জীবন শিক্ষার উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করার কারণে সকলেই তার প্রশংসায় ভাসলেন।

সঞ্জীব বলে জনৈক ব্যক্তি নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে সঞ্জয় সেনের একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন,”২০০৯ সাল থেকে শিক্ষা সম্বল প্রকল্পের আওতায় রাজস্থানের একটি গ্রামে স্কুলে পড়াশোনা করা শারীরিক প্রতিবন্ধী সঞ্জয় সেনের সাথে দেখা করুন … তাঁর উৎসর্গের জন্য সালাম।”ছবিটিতে দেখা গেছে যে, সঞ্জয় সেন নিজের শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে নিজের ছাত্র ছাত্রী দের পড়াচ্ছেন।

শিক্ষা সম্বল হ’ল এমন একটি কর্মসূচী যেটি,ভারত সরকারের যার লক্ষ্য, আর্থিক অসুবিধার কারণে স্কুল ছেড়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা এবং পর্যাপ্ত শিক্ষণ কর্মী নেই এমন বিদ্যালয়গু’লিকে সহায়তা করা।ভারত সরকারের এই রাজস্থানের আজমির, ভিলওয়াদা, চিতোরগড়, রাজসমন্দ এবং উদয়পুর জেলাগুলিতে রয়েছে। শিক্ষা সম্বল প্রকল্পটি নবম থেকে দশম শ্রেণীর ৭০০০ সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী দের কাছে পৌঁছে গেছে।

নিশা নামক এক মহিলা এই টুইটের রিটুইট করে লিখেছেন, “আমাদের শ্রদ্ধেয় মন্ত্রীদের মধ্যে কেউ কি এটি বিবেচনা করতে এবং এই ভদ্রলোককে কিছু সমর্থন / বৈদ্যুতিক হুইলচেয়ার সরবরাহ করতে পারেন…” এর সঙ্গে তিনি প্রকাশ জাভদেকর,নরেন্দ্র মোদি সহ বেশ কিছু মন্ত্রীদের ট্যাগ করেছেন। এই শিক্ষকের আত্মবিশ্বাস, দক্ষতাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন অনেকেই।

About admin

Check Also

গার্লফ্রেন্ডের উৎসাহ তে আজ IPS অফিসার হলেন, ক্লাস 12th ফেল এই ট্রাক ড্রাইভার।

এক সময় ধনী ব্যক্তিদের বাড়ির কুকুর দেখাশোনা, আবার কখনো ট্যাম্পো চালাতেন, প্রেমিকার উৎসাহে আজ আইপিএস …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *