Breaking News

স্বামী গ্রামের যে ব্লক এর সাফাই কর্মী, সেই ব্লকের হেড অফিসার হলেন বি এ পাশ স্ত্রী সোনিয়া..

আমাদের গণতন্ত্রের প্রত্যেক ব্যক্তি কোন বৈষম্য ছাড়াই নেতৃত্বের সুযোগ পায় এবং এই কারণে আমাদের গণতন্ত্র সফল হয়। উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের একটি উদাহরণ দেখা গেছে। যেখানে আবাসিক মহিলা সোনিয়া বালি আখেরি ব্লক থেকে জয়ী হয়ে ব্লক প্রধান হয়েছেন। সোনিয়ার এই বিজয়ের একটি বিশেষ বিষয় হলো তার স্বামী সুনীলকুমার এই এলাকার সুইপার হিসেবে কাজ করছেন।

তার স্বামী সুনিল হয়তো স্বপ্নেও ভাবেননি, সে যে ব্লকের যে এলাকায় তিনি প্রতিদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন সেখানে একদিন তার স্ত্রী ব্লক প্রধান হবেন। সোনিয়া যিনি আগে একজন সাধারন গৃহিণী ছিলেন তিনি এখন বিজেপি থেকে ব্লক প্রধানের দায়িত্ব নিচ্ছেন। সুনীলকুমার তার নিজের গ্রামে বালিয়াখালি ব্লগে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ করেন।

তারপর তিনি সোনিয়া নামে একজনকে বিয়ে করেন এবং সোনিয়া একজন গৃহিণী। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিবিসির আসনের জন্য রিজার্ভেশন এর কারণে এটি তপশিলি জাতিদের জন্য সুরক্ষিত ছিল। তারপর গ্রামবাসীদের নির্দেশে সুনীলকুমার তার স্ত্রী সোনিয়াকে বিবিসি সদস্য পদের জন্য নির্বাচনে রাখেন এবং তিনি নির্বাচনে জয়ী হন। নির্বাচনে জেতার পর ব্লক নম্বর পদের জন্য প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

রিজার্ভেশন অনুসারে তপশিলি জাতি থেকে শিক্ষিত মহিলার সন্ধান ছিল। তারপর বিজেপি নেতা মুকুল চৌধুরী শিক্ষিত হওয়ায় প্রধান পদের জন্য সোনিয়ার নাম প্রস্তাব করেছিলেন এবং তখন তাকে সমর্থন করেছিল। আকর্ষণীয় যে সোনিয়া বিজেপির সমর্থন পেয়েছে তারপর এই প্রতিযোগিতায় বিরোধীরা একের পর এক চলে গেল এবং অবশেষে 26 বছর বয়সী সোনিয়া ব্লক প্রধান হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন।

সোনিয়া বলেন তার সাফল্যে তার পরিবার এবং স্বামীর অনেক সহায়তা ছিল। এখন ব্লগ প্রধান হওয়ার পর তিনি প্রথমে গ্রামের উন্নয়নে কাজ করবেন। স্বামীর চাকরি প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন যে তিনি তার কাজ চালিয়ে যাবেন কারণ তার গৃহস্থালির খরচ তার স্বামীর বেতন মেটানো হয়। সুনীল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তিনি চাকরি ছাড়বেন না কারণ সোনিয়া পাঁচ বছরের জন্য প্রধান হতে চলেছেন কিন্তু তার চাকরি 60 বছরের জন্য।।

About Web Desk

Check Also

বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামের 21 বছরের এই মেয়েটি, গুগলের 60 লাখ টাকা প্যাকেজের চাকরি পেল। শুভেচ্ছা বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায়

আগেকার দিনে মেয়েদের পরিধি রান্নাঘর আর বাড়ির কাজের মধ্যেই সীমিত ছিল। পড়াশোনাতে মেয়েদের কোনো অধিকার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *