Breaking News

না দেখে ফোনে প্রেম, 1 বছর পর জানতে পারে ছেলেটি বিকলাঙ্গ, তা সত্ত্বেও বাড়ির অমতে গিয়ে ছেলেটিকে বিয়ে করল মেয়েটি..

এটা প্রায়ই লোকেদের বলা হয় যে স্বামী স্ত্রীদের জুটি স্বর্গ থেকে তৈরি হয়ে আসে। প্রেমের রঙ দেখা যায় না। বয়স, জাত, সময় কোন কিছুই মানে না এটি যখন তখন যেকোন সময় হয়ে যেতে পারে। বিহারের একই রকম একটি গল্প দেখা গেছে যেখানে ঝাড়খণ্ডের একটি মেয়ে বিহারের একটি প্রতিবন্ধী ছেলের প্রেমে পড়েছিল। একটি ভুল ফোন কলের কারণে এবং তারপর অনেক লড়াই করে দুজনেই একে অপরকে বিয়ে করেছেন।

বিহারের এই আকর্ষণীয় প্রেমের গল্প একটি রং নাম্বার এর কারনে শুরু হয়েছিল এবং বিয়েতে শেষ হয়েছিল। ঝাড়খণ্ডের এই মেয়েটি বিহারের এই ছেলের প্রেমে পড়ে যায়। দুজনেই এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রতিদিন একে অপরের সাথে কথা বলতে থাকে এবং যখন বিয়ের কথা আছে ছেলেটি মেয়েটিকে একটি ছবি পাঠায় এবং বলে যে, সে একজন প্রতিবন্ধী। তা সত্বেও মেয়েটি তাকে বিয়ে করার জন্য সেখানে পৌঁছায়।

আপনাকে বলি যে ছেলেটি ঠিক মতো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে না কিন্তু তা স্বত্তেও মেয়েটি তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়। কাহিনী শুরু হয়েছিল যখন রাজ্যের বাসিন্দা গৌরী একদিন ফোন করার সময় ভুল করে বিহারের সুপৌল জেলার বাসিন্দা মুকেশ কে ফোন করেছিলেন। এই ফোনকলের পরে তারা দুজন একে অপরের সাথে কথা বলা শুরু করে এবং ধীরে ধীরে তাদের কথোপকথন প্রেমে পরিণত হয়। গৌরীর বাড়ির লোক অনেক বুঝিয়েছিলো যাতে সে এই ছেলে কে বিয়ে না করে।

কিন্তু গৌরী তার সিদ্ধান্তে অটল ছিল এবং তারা দুজনে সদর থানায় এসে পুলিশকে জানায় যে তারা দুজন একসাথে থাকবে। দুজনে একে – অপরের সাথে কোর্ট ম্যারেজ করে। আইনজীবী তাদের দুজনকে বিয়ে দিয়েছেন। তারা বলেছিলেন যে, মেয়েটি হলফনামার মাধ্যমে এই বিয়ে নিশ্চিত করেছে। সেই মেয়েকে সম্মান দেওয়ার সময় তিনি তাকে সমাজের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক বলে অভিহিত করেছেন। এডভোকেট এই জুটির সাহায্য করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আইনজীবী এই ছেলে ও মেয়ে টির কাছ থেকে কোন টাকা নেননি।।

About admin

Check Also

23 বছরের এই ভাই-বোনের জুটি 1 লাখ টাকা ইনভেস্ট করে যে অভিনব উপায়ে আজ 800 কোটি টাকার ব্যবসা দার করান, জানলে আপনিও অনুপ্রাণিত হবেন

একটি মেয়ে তার ভাইয়ের সাথে মিলে নিজেদের পরিবারকে সফলতার সেই শিখরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন যা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *