Breaking News

প্রতি শনিবার হনুমানজির পুজো করুন এই চমৎকারী উপায়ে, বজরংবলীর কৃপায় সমস্ত স্বপ্ন পূরণ হবে,দ্রুত মুক্তি পাবেন বাধা-বিপত্তি থেকে ।

জীবনে সফলতা পাওয়ার জন্য ব্যক্তিকে কঠোর পরিশ্রম করা অত্যন্ত আবশ্যক, পরিশ্রম করে ব্যক্তি সফলতার সিঁড়িতে উঠতে পারে কিন্তু অনেক বারই দেখা গেছে যে কঠোর পরিশ্রম করা সত্ত্বেও ব্যক্তি সফলতা অর্জন করতে পারেন না, ব্যক্তি সব রকম চেষ্টা করে থাকি তা সত্ত্বেও সে অসফল হয়।

যদি আপনার জীবনেও এরকম অসুবিধা প্রকট হয়ে থাকে তো জ্যোতিষ শাস্ত্রে এমন অনেক উপায় সম্বন্ধে বলা হয়েছে যার প্রয়োগে আপনি আপনার সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন, যদি আপনি আপনার সমস্ত কাজকে পূরণ করতে চান এবং আপনার মনোকামনা পূরণ করতে চান তবে শনিবারের দিন এর জন্য একদম উপযুক্ত।

যদি আপনি শনিবারের দিনে কিছু চমৎকারী উপায় করে থাকেন তবে এর ফলে শীঘ্রই আপনি এর ফল পাবেন।শনিবারের দিন যদি আপনি এই উপায়ে করে থাকেন তো আপনার জীবনে এক বড় পরিবর্তন হতে পারে, এই উপায় এর ফলে আপনি ধনী হতে পারেন।সমস্ত বাধা গুলো আস্তে আস্তে কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন।

আজ আমরা আপনাকে এই প্রবন্ধের মাধ্যমে শনিবারের দিনে করে থাকা কিছু উপায় সম্বন্ধে বলতে যাচ্ছি, যার সহায়তায় আপনি আপনার সমস্ত সমস্যা দূর করতে পারবেন এবং আপনার উপরে বজরংবলীর কৃপা সর্বদার জন্য বজায় থাকবে।আপনার জীবনে সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে।আপনি ধীরে ধীরে আপনার পরিবার এবং আপনার জীবনে মঙ্গল কামনার মাধ্যমে সু সময়ে নিবেস করবেন।

চলুন জেনে ফেলি শনিবারের দিন করবেন কোন কোন চমৎকারী উপায়শনিবার দিনে পড়ে থাকা সবচেয়ে উত্তম উপায় হল বট গাছের নিচে পিঁপড়েদের চিনি মেশানো আটা দিন,যদি আপনি এটি করে থাকেন তবে আপনার সমস্ত মনোকামনা শীঘ্রই পূরণ হবে।এই নিয়ম গুলি প্রত্যেক শনিবার মেনে চলতে হবে।

যদি আপনি শনিবার দিন কোন হনুমান মন্দিরে গিয়ে মহাবলী হনুমান জি কে লাল জবা ফুলের এবং বেল পাতার মালা পড়িয়ে থাকেন এবং এর সাথে পঞ্চমীবা ভোগ দিয়ে সঙ্গে হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে হবে। তবে এর ফলে আপনার জীবনে চলে থাকা অর্থনৈতিক সমস্যা দূর হয়ে যাবে।সঙ্গে হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে হবে।

যেমনটা আপনারা জানেন যে ঘরে তৈরি হয়ে থাকা প্রথম রুটি টি সব সময় গরুর জন্য রাখা উচিত, যদি আপনি শনিবারের দিন ঘরে তৈরি হয়ে থাকা প্রথম রুটি টি গরুকে খাইয়ে থাকেন এবং খাওয়ার পরে গরুর সাতটি পরিক্রমা করে থাকেন তবে এর ফলে আপনার সমস্ত ইচ্ছা পূরণ হতে শুরু করবে।আপনার জীবনে সমস্যা গুলোর নিবারণ হতে থাকবে।

পরিক্রমা করার সময় আপনি আপনার মনোকামনার প্রার্থনা করুন এর ফলে আপনি দেবী দেবতাদের আশীর্বাদ প্রাপ্ত করবেন কারণ গরুর মধ্যে ৩৩ কোটি দেবী দেবতা বাস করে থাকেন।আপনি শনিবার দিন দুপুরে অথবা সন্ধের সময় পুকুর অথবা নদীতে মাছেদের ১০৮ টি আটার গুলি খাওয়ান।এতে এক অনন্য ক্ষমতার সৃষ্টি হয়।

যদি আপনি এটি করে থাকেন মহলক্ষী আপনার উপর প্রসন্ন হবে এবং আপনাকে ধন সম্পত্তিতে পরিপূর্ণ করবে। এটি মাতা লক্ষ্মীকে প্রসন্ন করার সবচেয়ে উত্তম উপায়।যদি আপনি শনিবার দিন কোন কাজের কারণে বাইরে বেরিয়ে থাকেন তবে সর্ব প্রথমে আপনার মাতা পিতা এবং ঘরের বৃদ্ধদের কাছ থেকে আশীর্বাদ প্রাপ্ত করুন।

এর পরেই আপনার কাজের জন্য বাইরে বেরোন, যদি আপনি এটি করে থাকেন তবে আপনি যে কাজের জন্য বাইরে যাচ্ছেন সেটি সফল হবে।যদি আপনি শনিবার দিন সূর্যোদয়ের আগে এবং সূর্য উদয়ের পড়ে বটগাছে এক কলসি জল অর্পিত করেন, তবে এর ফলে আপনার জীবনে কখনো ধন-সম্পত্তির অভাব হবে না।

যদি আপনি শনিবারের দিন সন্ধ্যার সময় কোন হনুমান মন্দিরে গিয়ে ১১ টি প্রদীপ জ্বালিয়ে থাকেন তবে এর ফলে আপনি কিছু মাসের মধ্যেই আপনার জীবনে সু সময় ফিরতে শুরু করবে। আসতে আসতে আপনার সমস্ত সমস্যার সমাধান হতে থাকবে।যে সব কাজে একটু বাঁধা পরে থেমে যেতো সেই কাজের সমাধান হতে থাকবে।

বন্ধুরা মনে রাখবেন এই টোটকা গুলি জ্যোতিষশাস্ত্র দ্বারা নিবন্ধিত।এগুলো আপনি সঠিকভাবে দীর্ঘ সময় ধরে পালন করলে ধীরে ধীরে সুফল পেতে পারেন।তবে এ গু’লোর ওপর আপনার মনের থেকে বিশ্বাস ও ভক্তি রাখতে হবে।মন কে সর্বদা স্থির এবং শান্ত রাখতে হবে। নিষ্ঠার সাথে  কঠর পরিশ্রমের মাধম্যে আপনাকে সৎ কর্ম করতে হবে।তবেই আপনি আপনার উদ্যেশ্য বা লক্ষে পৌঁছাতে পারবেন।

বন্ধুরা যদি আপনার এই জ্যোতিষশাস্ত্রর বিচারে এই টোটকা ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনি এটি শেয়ার করে দেবেন।যাতে আপনার পরিচিত কেউ এই টোটকার মাধম্যে উপকার পায়।এরকম আরো টোটকা পেতে আমাদের সাথে পোস্টিতে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।কমেন্ট করে জানান আপনার এই প্রতিবেদনটি কেমন লাগলো?

About admin

Check Also

রাশিচক্র অনুসারে এই মন্ত্রগুলি জপ করলে সন্তুষ্ট হবে ইষ্টদেবতা, সাফল্য আসবেই, বাড়বে ধনসম্পত্তি, জেনে নিন সেই মন্ত্র গুলি কি কি

রাশিচক্র অনুসারে এই মন্ত্রগুলি জপ করলে সন্তুষ্ট হবে ইষ্টদেবতা, জেনে নিন সেই মন্ত্রগুলো কি কি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *