Breaking News

মু’সলি’ম পরিবার বিয়ের কার্ডে ছাপলো এমনি এক বিশেষ ছবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই সন্মান পেলো এই পরিবার

ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ, তাই এই দেশে নানা ধর্মের লোকের বাস করে এবং এখানে সবাই ধর্মকে সম্মান করেন। কিন্তু অনেক মানুষ এটা বিশ্বাস করেন যে, ভারতের মতো দেশে হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে থাকতে পারে না। কারণ আপনি যখন ইতিহাস দেখবেন, এটা অনেকবার ঘটেছে যে, হিন্দু এবং মুসলমান একে অপরের সাথে মা_রা_মা_রি করছে, কারণ ভারতে কিছু লোক আছে যারা মুসলমান এবং হিন্দুদের ল_ড়া_ই দেখতে চায়।

এরকম অনেক গ্রাম আছে যেখানে হিন্দু-মুসলমান আলাদাভাবে বসবাস করে আর অনেক জায়গায় মুসলমানও হিন্দুদের কাছে যায় না। কিন্তু আজ এমন ঘটনা ঘটল, যা দেখে আপনিও মন থেকে খুশি হবেন। শাহজাহানপুরের চিলাউভা গ্রামে বসতি স্থাপনকারী একটি মুসলিম পরিবার এমন একটি পদক্ষেপ নিয়েছে যা দেখে সবাই তাদের বাহবা দিচ্ছে এবং সত্যিই তাদের কাজটি কুর্নিশ জানানোর মতন। এই মুসলিম পরিবারের মেয়ের নাম রুখসারবানো এবং সে বিয়ে করতে চলেছেন।

বিয়ে উপলক্ষে আত্বীয় স্বজনদের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বিয়ের নিমন্ত্রণ কার্ড বানিয়েছেন, যাতে ভগবান রাম ও সীতার ছবি লাগিয়েছেন। পরিবারের অনেকেই অবাক হয়েছেন। আবার অনেকেই এই পরিবারের প্রশংসা করেছেন। এই পরিবারটি বলে, “আমাদের চিলাউভা গ্রামে 1800 টির বেশি হিন্দু পরিবার বাস করে, আর এই গ্রামে আমাদের একটি মাত্র মুসলিম বাড়ি, কিন্তু আমাদের মধ্যে কখনো কোনো বৈষম্য ছিল না। আমাদের পরিবার কখনোই বুঝতে পারেনি যে, আমরা ভিন্ন ধর্ম এবং ভিন্ন বর্ণের।”

পরিবারটি আরো জানায় যে, হিন্দুরা সব সময় তাদের সাহায্য করতো এবং হিন্দুদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা বেড়ে যায়। পুরো গ্রাম এই পরিবারকে অনেক সম্মান দেয়।
গ্রামবাসীরা জানায়, “এই মুসলিম পরিবারটি প্রতিদিন আমাদের মতন মন্দিরে ভগবানের পুজো করে। কখনো আমাদের মধ্যে বৈষম্য করেনি এবং তারা প্রথমে তাদের মেয়ের বিয়ের কার্ড মাতা রানীর মন্দিরে দেয়। মুসলিম পরিবারটি জানায়, “আমরা পুরো দুনিয়াকে দেখাতে চাই যে, হিন্দু এবং মুসলিমের মধ্যে সম্পর্ক খুব ভালো এবং উভয় ধর্মের জন্য মানুষ একসঙ্গে বাঁচতে পারে একসাথে খুব ভালোভাবে।”

About Web Desk

Check Also

5 কোটি টাকার সম্পত্তি দান করে দিলেন এই দম্পতি, আসুন জেনে নিই এর পেছনের রহস্য

স্ত্রীর সুখ বা ইচ্ছা পূরণের জন্য আপনারা দেখেছেন বা শুনেছেন যে, মানুষ কিছু না কিছু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *